
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হত্যাসহ পাঁচ মামলার আসামী চিহ্নিত ডাকাত আমিনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানার আশুরাইল এলাকার নুর রহমান উরফে মরা মিয়ার ছেলে আমিন মিয়া (৩৫)। উল্লেখ্য তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানায় র্যাব-৯।
জানা যায়, সোমবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণডুরা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০২/০৩/২৫, ধারা-১৪৩/৪৪৮/৩০২/৩৮০/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; এর মূলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ডাকাতের হামলায় রোশন আলী নিহতের ঘটনায় ১ জন পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারী আনুমানিক দিবাগত রাত ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ফুলপুর গ্রামে রোশন আলীর বাড়িতে দেশীয় অস্ত্রসহ ১০/১২ জনের একটি ডাকাত দল দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। ডাকাতেরা তাদের সঙ্গে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রোশন আলীসহ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় রোশন আলী ও তাঁর স্ত্রী আছমা বেগম আহত হন। স্থানীয়রা গুরতর আহত অবস্থায় রোশন আলীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি দেখে রাতেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে গত ১ মার্চ আনুমানিক রাত ২টার দিকে ঢাকায় পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। উক্ত ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে আসামীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অফিসার) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’